জয় জয় শ্রীশ্রীসত্যনারায়ণ।
" বেদবাণী "
১/৩৬০। “ ভগবানের দাস মন্দিরে বাস করিয়া থাকে। তাঁহার প্রয়োজনের কার্য্য শুশ্রূষা করাই কর্ম্ম। ভালমন্দ লাভালাভ সুখী দুঃখীর সম্বন্ধ সেখানে যাইতে পারে না বলিয়া কিছু অনুভূতিও থাকে না। কর্ত্তৃত্বাভিমান হইতে ভগবৎচর্য্যা ক্ষলন হইয়া সুখাদি অনুভূতি প্রাপ্ত হয়, ইহাকেই দেবাসুর সংগ্ৰাম বলে। এই লোকাচার সেখানে আলোকে ভগবৎ স্থানে প্রবেশ করিতে সক্ষম নয় বলিয়াই ভগবৎ সেবা ভাব, ভক্তি, প্রেম স্বভাবেই তরঙ্গায়িত হইয়া প্রস্ফুটিত থাকে। সেই পদে যাওয়ার জন্যই সর্ব্বদা অভ্যাসাদি কৃতকর্ম্মের অনুসরণ নিয়া থাকিতে হয়। “আশ্রয় নিয়া ভজে, তারে কৃষ্ণ নাহি ত্যজে, আর সব মরে অকারণ।” এই দেহকেই সংঘাত বলিয়া বলে, তার কারণ নিত্য ক্ষয়শীল। ইহা হইতেই প্রয়োজন উৎকর্ষণ হয়। এই প্রয়োজনেই ইচ্ছাদি উপসর্গ অস্থায়ী প্রকৃতির বিকার হইয়া তনুভূতির আকর হইয়া থাকে। এই প্রয়োজন হইতেই সর্ব্বপ্রকার অশান্তি শান্তি প্রভৃতির তারনা ভোগ করে। এই তারনা প্রয়োজন হইতেই আবর্ত্তন। যে কোন ইচ্ছা করা যায় তাহা পূর্ণ হয় না বলিয়াই অকর্ত্তা বলে, যাহা পূর্ণ বোধ হয় তাহাও ভ্রম, যদি পূর্ণ হইতো তবে আবার প্রয়োজন হয় কেন ? বিচার করিলেই অকর্ত্তা বুদ্ধির আশ্রয় পায়, এবং তার নিবৃত্তিরও চেষ্টা কৌশল সংযোগ হয়। ইহাই স্বভাবের সেবা বলে। এই ভগবৎশক্তি জানিবে।”
.jpg)
কোন মন্তব্য নেই: