তিনি প্রকারান্তরে আমাদের বললেন যে , দেবতাকে পাথর , কি ধাতু , কি ছবি না ভেবে , সেই প্রতিমূর্তি বা প্রতীককে জীবন্ত ঠাকুর মনে করা উচিৎ ।

 শ্রী ঠাকুর বাড়িতে আছেন ।

ভোগ রান্না করে নামিয়েই পূজার কাছে সাজিয়ে দিয়েছি । পূজার ঘরের সামনে ঘরেই ঠাকুর বসে আছেন ।
উনি (কুঞ্জলাল মজুমদার ) গিয়ে ঠাকুরকে বললেন ,
যে ভোগের আয়োজন হয়েছে , ঠাকুর যেন দৃষ্টি দেন ।
ঠাকুর উঠে দাঁড়িয়ে ভোগে দৃষ্টি দিয়ে বললেন ,
ভোগ হইছে ।
বলরাম ভোগ নিছেন ।
গোবিন্দের ভোগ হয় নাই ।
এতো গরম গোবিন্দ গ্রহণ করেন না ।
ঠাকুর কাকে বলরাম আর কাকে গোবিন্দ বললেন
আমরা বুঝিনি ।
তবে ঠাকুর একটু বুঝিয়ে দিলেন যে ভগবান যদি মানুষটি
হয়ে ঠিক মানুষের মতই সামনে এসে বসতেন ,
তাহলে যেমন করে দিলে মানুষটি খাদ্য গ্রহণ করতে পারতো , দেবতার ভোগও সে ভাবেই দেওয়া উচিৎ ।
উনুন থেকে নামিয়েই খেতে দিলে ,
সেই উত্তপ্ত খাদ্য এমন কোন মানুষ গ্রহণ করতে পারে না , দেবতাও সেই রকম ভাবে দেওয়া ভোগ নেন না ।
ঠাকুরের আচরণ , ঠাকুরের কথা অনেক সময়ই লোক
শিক্ষার জন্য তাকে উদ্ঘাটন করতে হয় ।
তিনি প্রকারান্তরে আমাদের বললেন যে ,
দেবতাকে পাথর , কি ধাতু , কি ছবি না ভেবে , সেই প্রতিমূর্তি
বা প্রতীককে জীবন্ত ঠাকুর মনে করা উচিৎ ।
সেই দেবতা যদি দেবতা না হয়ে মানুষের রূপ পরিগ্রহ
করে সামনে বসে থাকতেন ,
তাহলে যে ভাবে তাঁর ভোগ দিলে বা সেবা করলে সেই
মানুষটি গ্রহণ করতে পারতেন ,
দেবতাকেও সেই রকম ভাবে দিলে সেই ভোগ দেবতা নেন ।
দেবতাকে যদি জাগ্রত জীবন্ত মূর্তিই মনে না করি
, যদি ভাবি যে দেবতা মানে ছবি বা পাথর ,
তবে সে পুজো-পুজো হয় না ।
জয় রাম

শ্রীমতী কিরণবালা মজুমদার ।
ঘরের ঠাকুর শ্রী রামচন্দ্র ।
পৃষ্ঠা সংখ্যা ৬০ হইতে ।
তিনি প্রকারান্তরে আমাদের বললেন যে , দেবতাকে পাথর , কি ধাতু , কি ছবি না ভেবে , সেই প্রতিমূর্তি বা প্রতীককে জীবন্ত ঠাকুর মনে করা উচিৎ । তিনি প্রকারান্তরে আমাদের বললেন যে ,   দেবতাকে পাথর , কি ধাতু , কি ছবি না ভেবে , সেই প্রতিমূর্তি  বা প্রতীককে জীবন্ত ঠাকুর মনে করা উচিৎ । Reviewed by শ্রী শ্রী সত্যনারায়ণ নমঃ(SriSriramthakur O gan Ganer vhovon Youtube channel) on ডিসেম্বর ২৪, ২০২৪ Rating: 5

কোন মন্তব্য নেই:

Blogger দ্বারা পরিচালিত.